সফলতা পানিকচু চাষে

 সিলেট প্রতিনিধিঃ

সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলায় বাড়ছে পরিবেশবান্ধন ও ভিটামিনযুক্ত পানিকচু’র চাষ। সম্ভাবনা নেই আর্থিক ক্ষতির, নেই পোকার আক্রমণ ও রোগবালাই। সেই সাথে বর্তমান বাজারে, স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি এ সবজির চাহিদা বাড়ায় পানিকুচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এ উপজেলার কৃষ পরিবার। 

তেমনি পানিকচু চাষে সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের চন্দ গ্রামের কৃষক অলিউর রহমান (২৫)। সরেজমিন তার কচু ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, বসত বাড়ির পেছনেই এক ফসলি ধানি জমিতে তিনি চাষ করেছে পানি কুচ। ২০ শতক জায়গায় বেড়ে উঠেছে শ শ কচুর গাছ। 

প্রত্যেক গাছের গোড়ায় রয়েছে একাধিক লতি। তিনি জানান, 'বছরে একবার ধান ফলানোর পর এই জমি পুরো বছরই অনাবাদি থাকতো। কৃষি অফিসের পরামর্শে এবার পানিকচু চাষ করি। কন্দাল ফসল উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় কৃষি অফিস থেকে প্রদর্শনী পাই। বারি পানিকচু-৪ জাতের ৪ হাজার কচুর চারা রোপণ করি। এক মাসেই গাছে লতি আসতে শুরু করে। অল্পদিনেই বিক্রি হয় ৮ হাজার ৫শত টাকার লতি।' এছাড়াও আটশ' কেজি লতি বিক্রি করে ৪০ হাজার টাকা মুনাফা করার সম্ভাবনা দেখছেন তিনি। পানিকচুর মোড়া বিক্রি হবে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। এতে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকা মুনাফা হবে কৃষক অলিউরের। 

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, 'কচু সবজি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। কচু উৎপাদনে খরচ ও রোগ-বালাই কম। দামও ভালো পাওয়া যায় কচু চাষে। এ উপজেলায় ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে কচুর চাষ। আমরা এ ব্যাপারে কৃষকদের সার্বক্ষণিক কৃষকের সহায়তা-পরামর্শ দিচ্ছিন।'