Deleted
প্রকাশ : Dec 27, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

শাহজাদপুরের সেই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা: দীর্ঘ ১০ বছর পর ফাঁসির আসামি গ্রেপ্তার

শাহজাদপুরের সেই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা: দীর্ঘ ১০ বছর পর ফাঁসির আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক | সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত (ফাঁসির আসামি) এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে শাহজাদপুর এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় নিহতের পরিবার শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে 'মৃত্যুদণ্ড' বা ফাঁসির আদেশ প্রদান করেন।

দীর্ঘ ১০ বছরের আত্মগোপন

আদালতের রায়ের পর থেকেই আসামি এলাকা ছেড়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরিচয় গোপন করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শ্রমিকের কাজ করে সে আত্মগোপন করে ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে সে পরিবারের সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখে যাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার অবস্থান শনাক্ত করতে না পারে।

যেভাবে গ্রেপ্তার হলো

র‍্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ওই আসামি নাম পরিবর্তন করে অন্য একটি জেলায় অবস্থান করছে। প্রযুক্তির সহায়তা এবং সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১২-এর একটি আভিযানিক দল সেখানে হানা দিয়ে তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার প্রকৃত পরিচয় এবং দীর্ঘ সময় পালিয়ে থাকার কথা স্বীকার করেছে।

আইনি প্রক্রিয়া

গ্রেপ্তারের পর আসামিকে আজ সকালে শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া (ফাঁসি কার্যকর বা আপিল) সম্পন্ন করার জন্য তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসীর স্বস্তি

দীর্ঘদিন পর কুখ্যাত এই আসামি গ্রেপ্তার হওয়ায় শাহজাদপুরের স্থানীয় মানুষ এবং নিহতের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিহতের স্বজনরা এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর হবে বলে আমরা আশা করি।



মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

থার্মাল ক্যামেরায় ধরা পড়ল পেট্রোল বনাম ইলেকট্রিক গাড়ির পার্থ

1

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বেসামরিক পদে চাকরি, পদ ১০১

2

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবি: প্রাণহানি বেড়ে ২৩, ২১ জনের মরদেহ

3

অন্তর্বর্তী সরকারের কারণেই বিশ্বকাপ খেলা হয়নি, জানালেন বিসিব

4

যানজট নিরসনে নতুন আশার আলো: মেট্রোরেলের রুট সম্প্রসারণ ও বর্

5

ইরান যুদ্ধে আরব আমিরাতের শেয়ারবাজারে মূলধন কমেছে ১২০ বিলিয়ন

6

কুয়াশায় দৌলতদিয়া–পাটুরিয়ায় ফেরি চলাচল তিন ঘণ্টা ব্যাহত

7

জ্বালানি তেলের কারণে পণ্যের দাম বাড়বে কি না, তা এখনই বলা সম্

8

আগামী ১৪ জানুয়ারী গাজীপুরের সবচেয়ে বড় মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্

9

ঈদের ছুটিতেও কালকিনিতে সচল ছিল প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপদ প্রসব সে

10

খেজুর কত দেশ থেকে আসে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে কতটুকু?

11

ডাক বিভাগের অধীনে ১৫ ক্যাটাগরির পদের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্র

12

স্থগিত ফ্লাইট চালুর আপডেট মিডিয়ার মাধ্যমে জানানো হবে: প্রবাস

13

মার্কিন আরও এক F-15 যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

14

ইরান যুদ্ধে ছয় দিনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে

15

যত বেশি শিশু হামের টিকার আওতায় আসবে আমরা তত নিরাপদ থাকব: স্ব

16

মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটের ফ্লাইট ৮ মার্চ পর্যন্ত বাতিল করলো বিমা

17

নবাব সিরাজউদ্দৌলার আড়ালে দক্ষ খেলোয়াড়: প্রবীর মিত্রের মাঠ মা

18

গাজীপুরে জাল ডি.সি.আর. (ডুপ্লিকেট কারেন্ট রেকর্ড) ব্যবহার কর

19

রায়ে অসন্তুষ্ট আবু সাঈদের বাবা-মা: পূর্ণাঙ্গ সংবাদ

20
ফটোকার্ড বানাতে ক্লিক করুন